চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) টানা ২৭ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ থাকা উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পাঠানো খাবার গ্রহণ করেননি। তবে ডিবি পুলিশের মাধ্যমে বাইরে থেকে তিনি নিজের জন্য খাবার আনিয়েছেন এবং শিক্ষার্থীরাই মানবিক বিবেচনায় সেই খাবার তাঁর কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।
এদিকে উপাচার্য নিজেকে অসুস্থ দাবি করলে তাঁর রক্তচাপ পরীক্ষা করে দুজন চিকিৎসক ভিন্ন ভিন্ন মত দিয়েছেন, যা নিয়ে ক্যাম্পাসে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুরুতে উপাচার্যকে অসুস্থ বলে দাবি করা চিকিৎসককে ঘিরে ধরেন আন্দোলনকারীরা। পরে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে দুজন চিকিৎসককে একসঙ্গে ভেতরে পাঠিয়ে উপাচার্যের শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করানো হয়। মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী শাহরিয়ার হিশাম। তিনি জানান, চুয়েট মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক ডা. শাহাবুদ্দিন পরীক্ষা শেষে জানিয়েছেন, উপাচার্যের শরীর সুস্থ রয়েছে এবং এই মুহূর্তে তাঁর কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। তাঁর রক্তচাপ স্বাভাবিক রয়েছে, তবে তিনি কিছুটা সাফোকেশনে ভুগছেন।
অপরদিকে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে আসা ডা. টিবলু দে জানিয়েছেন, উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমের রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রায় নেই। তাঁর বর্তমান রক্তচাপ ১০০/১৫০, তাই তাঁর চিকিৎসা প্রয়োজন। আন্দোলনকারীরা জানান, সকাল থেকে নাশতাসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার পাঠানো হলেও উপাচার্য তা গ্রহণ করেননি। তিনি ডিবি পুলিশের মাধ্যমে খাবার আনিয়েছেন। তবে মানবিক দিক বিবেচনা করে অবরুদ্ধ ভবনের পানির সংযোগ চালু রাখা হয়েছে। চুয়েটের ইটিই বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার হিশাম বলেন, ভিসি বাইরের খাবার খাচ্ছেন, এতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। আমরাও সেই খাবার পৌঁছাতে সহযোগিতা করেছি। তিনি শারীরিকভাবে সুস্থই রয়েছেন।
















