দেশের ১৩টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে রাতে বজ্রসহ ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কায় এসব অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার মধ্যে কার্যকর হওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই সতর্কবার্তা জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ রাত ১টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব বা পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট এলাকার সকল নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, সমুদ্রবন্দরের সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে যে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি বর্তমানে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। মঙ্গলবার সকাল ৬টার হিসেবে নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপের কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকায় সমুদ্র অত্যন্ত উত্তাল রয়েছে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে অত্যন্ত সাবধানে চলাচল করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।





















